Thursday, October 5, 2023

কবিতার পাতা August 2023 Sahityer Angone

সাহিত্যের অঙ্গনে !! August 2023

সাহিত্যের অঙ্গনে
কবিতার পাতা 





অভাব 
শুভজিৎ দে


ঋতু আসার আগেই ঋতুমতী হয়ে উঠেছে গাছ।
আমাদের উঠোন দুভাগ হয়ে গেছে - 
একদিকে বিষন্ন ঝরাপাতা,
অন্যদিকে অন্তহীন ধুলোবালি,
মাঝখানে আলপথ। 

যে পথে হেঁটে বৃষ্টি আসার কথা ছিল। 
অপেক্ষার প্রহর শেষ,
এখনও বৃষ্টি আসেনি। 
এখন,এই পথে নিত্যদিন অভাবের আসা যাওয়া।


🙏﹅﹅


নোট বুক
 ইলিয়াস মাহমুদ


    ছাদ বারান্দায় 
শুয়ে আছে ধর্ষিতার কংকাল
ক্লাসে রাতভর বৃষ্টি হয় প্রাক্তনের 
 ও দিকে দূর্জনের চশমায়
মুখোশে মুখরিত হয়
শহরতলীর
কাকজ্যোস্নার নোট বুক ।

🙏﹅﹅


এমনি সময় তবু
অমিতাভ সরকার


এমনি সময় তবু প্রকৃতির মন্ডপে বাঁশ পোতা সাজানোটা রোজ ঠিকই হয়

সময় এমন পড়ে স্রোত যেন
বাজারের থলি হাতে মাস্ক মুখে এখনো
সে একা হেঁটে যায়
শরীর কমার দিকে

কাজ তবু সেজেগুজে অফিস টেবিলে বসা কষ্টের হাত খোঁজে
ব্যথারা চায়ের ছোঁয়া বাতাসে
যন্ত্রণা সেও আজো বাস টোটো চেপে ওঠে 
বাস্তব ভীড়ে 
হতাশার দীর্ঘশ্বাস গায়ে 


অনুভূতি বেঁচে আছে
সবটা যাওয়ার ছিল হেমন্ত-সকালের হিম কুয়াশায়

বড়োমানুষেরা তাই জেগে ছুটে থাকে যাতনায় 
অস্থির জীবনের ছোটাছুটি 
এ বয়সেও

তবু
ভালোবাসা ছিল সেটা কবেকার
পারগতা অনুভাব ছুটে আসে
 এবারেও তোমাদের ছোটো ঘরে বাসা বাঁধা বড়ো সেই মন
পুজোর ব্যস্ত দিনে অতিমারী হেসে ফেলে

আদর্শ বেঁচে আছে তোমাদের মনে ধূসরিত ছবি পাহারায়
এত এত কাল পরে
আজও তো তেমনি আছো 

বিছানাটা আজও তাই ধুলোপায়ে আন্তরিকতার ছোঁয়া চায় শুধু আরো একবার
সব কি অমনি আছে?

আকাশও সে মেঘ-রোদ সব চেয়ে চাপ তাপ কাজ ছুটি পায়
নিম্নচাপের জের
বৃষ্টি নামল বলে

জীবন তো আজ-কাল-পরশুর গল্প
আসবার ইচ্ছেটা থাক পরশুই
আর কিছুদিন।


🙏﹅﹅


হিজিবিজি ভবিষৎ 
অজিত কুমার জানা 

যে খুঁটিগুলো পথ দেখাবে,
বন্ধ্যাত্ব তাদের প্ল্যাটফর্ম। 
সবজি বেচে যে মেয়েটা, 
স্বাধীনতার স্বপ্ন দ্যাখে।
সেকি জানে কলেজে পড়া, 
তার ছেলেটার সামনের সিঁড়ি !

বিড়ি মুখে টানতে টানতে,
যে রুগ্ন মজুর ,
পরিবারের ঘানিতে পাক খাচ্ছে,
আর মাথায় ঘুরছে লাটিম। 
ছেলের একটা চাকরি বাকরি, 
একটু উষ্ণতা পাবে পরিবার।

পরিণতি অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী, 
টোটো চালক হলে, 
গাড়ি কিনবার টাকা কোথায় ?

সামনে দাঁড়িয়ে হিজিবিজি ভবিষৎ।


🙏﹅﹅


ভালবাসার গোলাপ 
বীরেন্দ্র নাথ মহাপাত্র


                ভাবি আজ কোন স্বপনে 
                    যাব আমি বৃন্দাবনে ,
                আঁকবো আমি অনেক সুর 
                      ছবি গতি হয় সুমধুর,
           নিবিড়তা আসবে বুঝি কোন একাসনে ।

                 স্নিগ্ধ সমীরণ ,গাইছে চাওয়া 
                ও বুঝি নেয় না, মধুর খাওয়া,
                বলল হেসে নদীর চপল গতি
                 দোষ কি বল, হলে ক্ষতি ?
                না না না এমনি স্বাভাবিক বাওয়া ।

                 জংলী মেয়ে হয়ে উদাসী
                  কার পানে চেয়ে বাতাসি,
                 না না জান না বুঝি 
                 আপন মনে খাচ্ছ তো সুজি,
                 তোমার ভালবাসা হয়ে বাসি।

                 একটু দাঁড়া, কি বললি রে তুই ?
                  কান পাত না, বলি কই ,
                   বুড়ো হয়েছ , যুগ পাল্টাচ্ছে
               প্রেমের গতি, তোমার হাবু ডাবু খাচ্ছে,
                   মুচকি হেসে,বলে সে মুই ।

                    বাসবি মোরে চল, যাই চলে
                 ওই অগাধ সাগরের ঢেউ তোলে,
                  ওখানে কেউ ঢেউ না মেপে
                ওই কিনারা মেশে আকাশ থেকে,
 দে তুই, মোরে ভালবাসার গোলাপ আপন বলে ।



🙏﹅﹅



কোচবিহার কালজানির নির্যাতিতা অনামিকা
সুদামকৃষ্ণ মন্ডল

তুমি পৌঁছে বলে দিও,
ওরা তোমাকে বাঁচতে দেয়নি।
তুমি বলে দিও, হাড় মাংস বাদে
যেটুকু অবশিষ্ট সম্ভ্রম,দেশমাতৃকার শরীর জরিপ
করার বাকি ছিল তা রক্তের লিপিতে সাঙ্গ হলো।
তুমি বলে দিও, পৃথিবীর রাত্রি কথা!
রাত্রির গর্ভে চাপা কান্নার আর্তনাদ!
সবই ইনভেলাপ খামে তোলা আছে।
তুমি জ্বলে নিঃস্ব হলেও
ওদের করুণা পরদেশে বন্ধক আছে।
ওদের কু- কথার পান্ডুলিপি
পৌঁছে দিও না অন্ধ শাসকের দরবারে।
ওরা মাংসাশী ক্ষমতালোলুপ তাই।



🙏﹅﹅



সে কথাই বলতে চাই
বৃন্দাবন ঘোষ।


কাল দেখতে পাই নি আজ দেখতে পাচ্ছি ।
কাল আমার গোচরে আসে নি আজ আমার গোচরে আসছে।
কাল উদ্বিগ্ন হই নি আজ উদ্বিগ্ন হচ্ছি।
কাল আমার কোন ভয় ছিল না আজ আমার খুবই ভয় হচ্ছে।
কাল আর আজ কত তফাত!
পরশু তারপরের দিন হলে আরও তফাত আসবে আরও তফাত দেখতে পাব।
সেদিন আমি কি নিশ্চিন্তে হাঁটা চলা করতে পারব?
পারব নির্ভয়ে নিঃশ্বাস নিতে?
শুধু আমার নয় আমি এক সর্বজনীন সমস্যার কথা বলছি।
আমি এ বিষয়ে সকলকে ভাবাতে চাই
এ যে এক সত্যিকারের ভাবনার বিষয়।
তাই ভাবতে বলছি।
আমি আমার জন্ম ভৃমি ছেড়ে কোথাও যাব না
এই বাড়ি,এই বাগান, এই উঠোন, এই আমার জমি জমা সম্পত্তি হানাদার আয়ত্ব করে নিলে নিঃস্ব রিক্ত, সর্বস্বান্ত হয়ে পথে এসে দাঁড়াব।
সে ভারি দুঃখের দিন।
আমি সে কথাই বলতে চাই সবাইকে।


🙏﹅﹅



রহস্য 
অশোক কুমার দত্ত 

মানুষ চলে গেলে রয়ে যায় 
তার দিগন্ত প্রসারিত স্মৃতি ! 
দু চারদিন তার ছবি ধুপ জল আলো পায় 
তারপর ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে যায় শোক ! 
জ্যোতিষী বলে মৃতের স্মৃতি দুঃখ বয়ে আনে ! 
দেওয়ালে টানানো ছবি জানতে চায় সে কি মৃত্যুর আগে না পরে? 
হাওয়া দো দুল দো ল। দেয় ! 
ছবি নড়েচড়ে ওঠে । 
শুকনো মালার স্মৃতি মাটিতে পড়ে ঝরাপাতা হয়ে। যায় !




🙏﹅﹅


অবয়ব 
অশোক কুমার দত্ত 

               তবুও 
হয়তো তুমি অন্তরালে চলে যাবে ! 
প্রিয় সব ব্যথিত পাখিদের মত 
অন্ধকারে বিনীত শস্যের ঘ্রাণ নেবে প্রাণ ভরে । 
হয়তো অন্ধকার অন্তরাল শব্দের সমার্থক নয় !
 যেভাবে ভস্ম মানে 
 হৃদি পোড়া ছাই !
একটি অবয়বের এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্যে প্রয়োজন 
একমুঠো ভাত আর কিছুটা ডাল । 
যে হৃদয়ের সমুদ্র প্রয়োজন তাকে তুমি দিতে পারো না এক পাত্র মদিরা ।
পত্রহীন হতে হতে নিরাবয়ব মানুষ বুঝে নিয়েছে আজ শব্দহীন নৈঃশব্দের মহিমা ! 



🙏﹅﹅


দোষী আমি
ডাঃ জাফর মোল্লা


আমাকে ঘৃণা করা যায়!
কারণ আমি হারতে হারতে
জিতিয়েছি তোমায়!!

আমাকে অবহেলা করা যায়!
কারণ আমি সবখানে
পাশে ছিলাম তোমায়!!

আমাকে অপরাধী করা যায়!
কারণ তোমার সব দোষ
গোপন করেছি নির্দিধায়!!

আমাকে অপবাদ দেওয়া যায়!
কারণ তোমার লুপ্ত প্রতিভা
জাগিয়েছি সর্বদায়!!

আমাকে অপমান করা যায়!
কারণ আমি নিঃস্বার্থে
আপন ভেবেছি তোমায়!!

আমাকে তিরষ্কার করা যায়!
কারণ আমি বিজয়ী না হয়ে
জিতিয়ে দিয়েছি তোমায়!!


এই প্রাপ্তি গুলো রেখে বুকে
থাকব না হয় দুখে।
তোমার পথ দীর্ঘ হোক
কাটুক পরম সুখে।।




🙏﹅﹅



 সেই গন্ধটা
রথীন পার্থ মণ্ডল 


পারফিউমের গন্ধটা অনেক দিনের চেনা, 
দক্ষিণের দরজাটা আজ বোধ হয় খুলে গেছে
নিঃসঙ্গতায় ভরা মনে 
চাপা অন্ধকার বয়ে বেড়ায়
অনুভবে অস্তিত্বের স্বাদ 
আজ যেন পেয়ে বসেছে
রক্তপলাশের রক্তিমতায় ভরে ওঠে মন
এখন এক ঝলক ঠাণ্ডা বাতাস চাই 
এক মুঠো ঝরাপাতা নিতে নিতে 
শয্যায় আঁকিবুকি খেলে আলপনার ছন্দ
কে যেন বসন্তের আবির রং মাখিয়ে দেয় মাথায়
ছুঁলো মনের প্রান্তর, উঁকি মারে আকাশে
চোখে অশ্রু জলের বন্যা বয়
তবুও দেখি পরশপাথরের ছোঁয়া লাগে
তুমি এসেছো আজ এখানে
তাই চন্দনী পারফিউমের গন্ধটা 
আজ ফিরে এসেছে ঘরে।।



🙏﹅﹅



 মনে পড়ে
রথীন পার্থ মণ্ডল 


পথ চলতে চলতে বড্ড ক্লান্ত হয়ে পড়েছি
মাঝে মাঝে ভালো লাগে না পথ চলতেও 
তবুও চলতে খুব ইচ্ছে করে
ইচ্ছে করে সামনের দিকে এগোতে 
ইচ্ছে করে পিছোতেও
তোমার সাথে হাতে হাত রেখে পথ চলতে 
মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছে করে
কিছু কিছু সময় হারিয়ে ফেলি পথও

আসলে ফেলে আসা কালের পথে 
আজও খুঁজে পাই নিজেকে 
খুঁজে পাই তোমাকে
এই পথের কাছে রোজই কত কিছুই না শিখি
তবুও কেন জানি না মাঝে মাঝে বড্ড 
অচেনা লাগে এই পথকে

একলা চলার পথে
পথের সাথে কথা বলতে বলতে
কানে কানে বলে যায়–
কাঁকড় বিছানো পথে হাঁটার অভ্যাস রাখো।।


🙏﹅﹅



মাঝদরিয়া
রথীন পার্থ মণ্ডল 

রাত্রির বুক চিরে নেমে আসে মেঘ
তোমার ভালোবাসা মাখা হাতের স্পর্শে
একদিন ভেঙেছিল ঘুম।
ঘুম ঘুম চোখে দেখেছিলাম 
তারাদের আনাগোনা,
তুমি তো ছিলে আমারই পাশে
হাতে হাত রেখে... 
দমকা হাওয়ায় নিভে গেল সব
অন্ধকারে তোমার হাত হাতড়াতে হাতড়াতে 
মাঝদরিয়ায় ভেসে চলি
কিনারার খোঁজে।

🙏﹅﹅



সৌরলোকের আলোক দীপ্তি
অভিজিৎ রায়


বাতাসে যখন বাজিছে শঙ্কা,নয়নে বহিছে অশ্রুস্রোত
হৃদয় মাঝারে জ্বালায়ে প্রদীপ,পাল তুলে দে রে অর্ণবপোত

রুদ্ধদ্বারের দেওয়াল ভাঙিয়া,স্বর্গলোকের সূর্যালোক
প্রবেশিতে দাও বাতায়ন পথে আমার ভুবন তোমার হোক

আলোককণারা মুছে দিয়ে যাক দুচোখের যত গ্লানি
দূর হতে বাজে ভৈরবগীতি শাশ্বত চির বাণী

তারকাখচিত আকাশের গায়ে,
কিশোর কি আজো সাদা ভেলা বায়
ধ্রুবতারা আজো দিগনির্দেশ করে চলে এক মনে
দীপ্ত আলোর তরঙ্গ ছোটে মোর বাতায়ন কোণে

আকাশ পাতাল মর্ত্য ভরিয়া আনন্দধারা বহে
গ্রহাণুপুঞ্জ ভ্রমিছে বিশ্ব ছন্দে ও ধীর লয়ে

দিগবলাকার পাখায় আলোক চকিত বিচ্ছুরণে
এ মন মেতেছে আপন খেয়ালে রজনীগন্ধা বনে

সৌরলোকের আলোক দীপ্তি লেগেছে আমার মনে



🙏﹅﹅



কবি সুকান্ত
অনুপ কুমার জানা 

পরাধীন ভারতে আবির্ভূত হয়ে
বিদায় নিলে স্বাধীনতার মুহূর্তে ,
তোমার কবিতায় অনুপ্রাণিত হয়ে
দেশপ্রেম জেগেছে বাঙালির হিয়াতে । 

অসুস্থতার মধ্যে চালিয়েছ লেখনী 
ফুটেছে তবুও বিদ্রোহী সম মান , 
' তরুণ নজরুল ' বলে তোমায় লোকে
' কিশোর বিদ্রোহী কবি '-র পেয়েছ সম্মান ।

সাহিত্য জগতে ভাস্বরত চিরদিন 
চন্দ্র-সূর্য না হলেও ধ্রুবতারা তুমি 
শোষন-পীড়নের বিপরীতে ফুটেছে লেখনী 
অল্প সময়ে বিস্তীর্ণ তব সাহিত্যভূমি । 

কবি হিসেবেই পরিচিত প্রতিটি মনে ,
গল্প , প্রবন্ধ ,গানেও জেগেছে লেখনী , 
কম্যুউনিষ্ট ভাবধারা তব রক্তকনায়
মারণব্যাধি ক্ষয়রোগ তোমায় দমাতে পারেনি । 

একুশটি বসন্তে পুষ্ট সাহিত্য বাগিচা
মারণকীট করেনি ধ্বংস কুসুম কলি ,
বিধাতা তোমায় বুঝলো না মোটে 
অকালে তুমি হয়ে গেলে বলি ।

চেয়ে দেখ কবি পরলোক থেকে 
স্বাধীনতা দিবস তোমারই জন্মদিনে ,
দেশাত্মবোধক সংগীতে মুখরিত চৌদিক
তুমি তবু সর্বক্ষণ বাঙালির মননে ।


🙏﹅﹅



অবলম্বন
সোমনাথ ঘোষ

আসি যদি কোন দিন ফিরে
অন্য রূপে অন্য কলেবরে
সেই প্রায় শুকিয়ে যাওয়া
নদীটির সাদা বালুর তীরে
চিনিতে কি পারিবে তুমি 
এই অর্বাচীন অধমেরে। 

যে নদীর বালুতটে মোরা
লিখেছিলাম আমাদের নাম
গেয়ে ছিলাম মোরা জীবনের
সুখ দুঃখের প্রেমের গান
বিধাতার নিষ্ঠুর নিদানের তরে
তোমার আর ফেরা হয়নি ঘরে। 

আমি প্রায়শই সেই বালুতটে
একাকী উদাসীন ভাবে বসে বসে
নির্লিপ্ত ভাবে আমার সময় কাটে
কত যে পুরাতন স্মৃতি করি রোমন্থন
এটাই আমার এখন অবলম্বন।

🙏﹅﹅

নবতম প্রকাশিত সংখ্যা

অপূর্ণ স্বপ্ন

অপূর্ণ স্বপ্ন  বিপ্লব মাহাতো পূর্ণিমা রাতে চাঁদের এ কী মেলা, ও সুন্দরী, ভালো লাগে না আর লুকোচুরি খেলা। ভেবেছিলাম তোমাকে নিয়ে যাবো দূরদেশে, ...

আরও পড়ুন