Friday, September 23, 2022

বিশতম সংখ্যা।। 23 September 2022।। সাহিত্যের অঙ্গনে

SA


বিশতম সংখ্যা

এই সংখ্যার সূচী

সম্পূর্ন পড়তে ক্লিক করুন নিচের শিরোনামে














অপেক্ষায় নন্দিত প্রহর ।। কৃষ্ণেন্দু নস্কর

SA






অপেক্ষায় নন্দিত প্রহর
কৃষ্ণেন্দু নস্কর 

আমার ইচ্ছে ময়নার মাটির টানে একদিন আমিও হব লাশ,
দাহ ছাই ভস্মের শেষ চিহ্নটুকু বিলীন হবে প্রিয়র মনের চৌকাঠে;
মৃত্যুর না চাওয়া অপ্রিয় উপহারে।
আজ আমার ভালোবাসার শব্দের বন্যায় কবিতারা ম্লান, 

ভাঙা নৌকার তড়ি বিবর্তমান আকাশের খেয়াল স্রোতে;
 মেঘে ডানা মেলে;স্বপ্নের উপস্থিতি।
বিবর্ণ পথের বাঁকে প্রেক্ষিত সুপথের সন্ধানে ;
পথে পথে চলে নিরব খোঁজ,বৃষ্টিধারার প্রকাশ কলমের নিপে। 

অলিগলি ঘুরেফিরে তারার আকাশে খুজি অপেক্ষায় পড়ে থাকা (মৃত্যুর)উপহারের চরণ।
শিহরণে বিভোর আমার আশপাশে ভ্রান্তির মায়াজাল ভেদ করে,
বাঁধন ছিন্ন আদিগন্ত অন্তরের পথ নিয়ে চলে তোমার আঙিনে । 

জীবনের শেষ প্রহরে দাঁড়িয়ে ;নিজেকে আবিস্কার করি; 
নতুন আর এক নক্ষত্র মন্ডলে , 
আমার যত্নে রাখা হৃদয় কক্ষের হাড়ে ;
আজ অবহেলা উই কুরে খায়,
ভেঙে ঢল নেমেছে মায়ার শহরে ঝুম বৃষ্টি, 
জড়িয়ে ধরে ব্যথাতুর আর্তনাদের চিৎকার।
নির্ঝন্যতায় ছুটি নিরবধি ইচ্ছেগুলো সিগারেটের ধোঁয়ার কুণ্ডলী তে উড়িয়ে,
টিমটিমে করা হলদে আলোয় ;
খেলার চুক্তি ভাঙ্গে নিজেকে কৃষ্ণ চাঁদের পাশে রেখে। 

মাঝে মাঝে মৃত বোবা চোখে চেয়ে থাকি ;
আগুনের দিকে মুঠো ছাইয়ের নিরিখে।
ছেঁড়া পাতায় মন গহীনের তালাবদ্ধ অপ্রকাশ্য অভিমানে ;
তুমি আজ কয়েক শত আলোকবর্ষ দূরে।
তুমি  না হয় বৃষ্টি হও আমার আকাশে!.. মেঘবালিকা হয়ে ছুঁয়ে যেও তোমার প্রিয়র ছড়িয়ে থাকা; সবের লুকোনো কিছু আকাশচুম্বী আবেগের অনুভবে;
নীড় হারা পাখির ব্যাকুলতার ঘ্রাণে। 

মেঘোসাগরে আজও ডুবে হেটে চলা অবিরত, মুখরিত তোমার নাট্য সালে;আমার হৃদয়ে মঞ্চে বিশ্বজয়ের হাসিতে রেখা টেনেছে তোমার ঠোঁট  ।
মহাশূন্যে তোমার বিরহে পরিভ্রমণ।
আজ নীল আকাশটা ম্লান হয়ে নীল হয়ে গেছে, পাল্টে ফেলেছে ধুয়ে চোখের কাজল।
উল্টো পথের প্রবাসে যে আজ পৃথিবীতে ছদ্দবেশী অসংখ্য মানুষের ভিড়। 

তবুও সন্ধ্যা নামে তোমার নামে;তোর নামে রাত্রি গভীর ঘন কালো হয় শহর জানে,
আসেনা সেই প্রভাত কিরণ জাগেনা সুর প্রভাতফেরী পাখির পুষ্পময়ী রুপ,
বেলা ফুরাবার আগে তোমার ইচ্ছে নদীতে দিয়েছিল ডুব।
মেঘের অভিসারে হৃদয়ে ঢেউ তোলে ভাসিয়ে পানশি, 
স্বপ্নতরীই গেয়েছি প্রেমের রাগিনী। 

আমি হারাই স্রোতস্বিনী মোহনায় সূর্যের ভালোবাসায় তুমি আঁকা বৃত্তে।
অপেক্ষার জীবনচক্রে ঘুরপাক খেতে থাকা জলছবিটা।
আজ শব্দের মুখোমুখি ;গুলির বৃষ্টিতে, নিশাচর হায়নার মুখোশের বিমূর্তার ধাঁধায় ;বুক পকেটে শব্দের চাষ, 
উদ্বাস্তু প্রায় মানবতার নাহি ঠাই।
স্বার্থের ভিড়ে টুকরে টুকরে খায় বিবেক,
অপেক্ষায় নন্দিত প্রহরে।।       
                          কৃষ্ণেন্দু নস্কর

কাঠগোলাপের মিঠে সুবাস ।। কৃষ্ণেন্দু নস্কর

SA





কাঠগোলাপের মিঠে সুবা            কৃষ্ণেন্দু নস্কর 

জানো প্রিয়!............
   আমার মন খারাপের বিকেল লুটিয়ে
                   শরৎ এসেছিল,
    অঝোর ধারায়,ভিজেছিল আনমনে
          জমকালো মেঘের তিক্ততায়;
এক বসন্তের গল্প হয়ে; এক অসমাপ্ত কবিতায়।
অহর্নিশি নিরবধি কাঠগোলাপের মিষ্টি সুবাস টা,
   ঝুম বৃষ্টির ছন্দ নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গোনে
                          অনারম্ভ ।
   মরুভূমির আলেয়ার শব্দের খনিই তোমাকেই
    সম্মোধন, নয়তো উপছে ফেলে দেবার মতো,
আমি ক্ষয়  হচ্ছি চিত্রায়িত রঙের স্মৃতির পাতায়;
   রোজনামচা মিথ্যে বলিই; সিগারেটের ধোঁয়ায়
                 উড়িয়ে নিয়তির টানে। 

  ঝড় দলা পাকিয়ে গোধূলির রঙে ঘোলাটে চোখ,
            অসংজ্ঞায়িত সমীকরণ আঁকে।
গুমড়ে আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে, রোদ্দুরে ঝড় লালচে
    - নীলাভ অসহ্য  উষ্ণতার অশ্রুবৃষ্টির পরাভূত
                         দীর্ঘশ্বাসে আছড়ে ,
   মানুষত্ব হীনতায় দুর্গন্ধময় আবর্জনার মিথ্যা অহমিকার,ভঙ্গুর দেওয়াল আজ বিশাল বুক ধারণ করে, দুধ গঙ্গা নদী বয়ে চলে নিরবধি সবটুকু ঋণে।
   তবুও ভাঙ্গে না দেওয়াল ;হিম শীতল জমানো অশ্রুর চিলতে হাসির তট । 

চির বিলীন হোক শত শত নির্ঘুম রাতের আর্তনাদ,
          তোমার দুচোখে সুখের বৃষ্টি ঝড়ুক,
    চোখের কোনে আমার মিথ্যা জলের ফোটায়,
       মন খারাপের ভারে স্মৃতিই ভাসে অশ্রুরা
করে ছড়াছড়ি।
নিশির ঘোরে বেঁধে ছিল বুকে, বেখেয়ালি কড়ানাড়া
       ভালোবাসায় তোমার ছবি শাশ্বত এঁকে । 

   তৃপ্তিটা  মরে যায় অহরহ  অনিমেষের ইচ্ছের
                           হাতবদলের,
তোমাকে ঘিরে না হয় থাকুক শুধু সুখ, বিনিময়ে আমায় ঘিরে হৃদয় জ্বলুক দীপ্ত চোখের অসুখ। 

জলে পড়ন্ত বিকেলের আলোকরশ্মির মুগ্ধতার
                   - বিশ্বয় আলোর ভ্রম,
  তোমার ভিতরে আলোয় দুমড়ে-মুচড়ে রয়ে যাবে আজীবন;
শুদ্ধতার মূর্তি বেশে, অশুদ্ধতার মুগ্ধ অনিমেষে
              "মায়ার স্পর্শে" নিগূঢ় আবেশে। 

উথাল পাতাল রুদ স্পন্দন; হিসেব কষে নেত্র গ্রাহন;
সজীবতার সত্য বচন স্বর্গীয় মোহনের চিত্ত নির্বাসনে ,
অদৃশ্য কোন মারার স্পর্শে..... মুঠো জোনাকির নিড় আশ্রয়ে,  পুরোটা জুড়েই ব্যথার বালুতট; ভালোবাসার অংকের উপন্যাসে ব্যাথার গান।
    চোখাচোখি ভিরুস্বরের বোবা কথায়,
             হৃদয়ে ভীষণ ঝড়ের তুফান ;
     তোমাকে পাওয়ার ব্যাকুলতায় আপ্লুত। 

      আমিটা অনিশ্চিত আগামী নিয়তির নিয়মে
           ফুরোই মহাবিদ্রোহের মায়াবী প্রহরে,
হৃদয়ে ভীষণ ঝড় ; বেসামাল নীলিমার মুগ্ধ মায়াবী হাসির আঙিনা জুড়ে রোজ করে এ হৃদয়ে বসবাস।
ছন্দ তালের নুপুর উড়ে চলে অগ্রিম তাড়নার স্নিগ্ধ  হাওয়ায় পরশ,
ব্যাকুল সন্ধিরা হাতে হাত রাখে ভয়ঙ্কর মিথ্যে
            প্রতিশ্রুতির অঞ্জলি রেখা। 

                       কৃষ্ণেন্দু নস্কর

দুর্গা পূজা ।। সায়ন্তন রায়

SA







দুর্গা পূজা
সায়ন্তন  রায়

দুর্গা পূজা, শ্রেষ্ঠ পূজা
ঢাকে পড়েছে কাঠি
শিউলি আর কাশ ফুলে
শরতের পূজার আগমনি।

দুর্গা পূজা, শ্রেষ্ঠ পূজা
বিশ্বজোড়া ব্যাপ্তি
বাঙালীদের কাছে আবেগ এটি
মিলেছে আন্তঃজাতিক স্বীকৃতি।

দুর্গা পূজা, শ্রেষ্ঠ পূজা
মিলে মিশে সব এক
এটাই আমদের ঐতিহ্য
এটাই আমাদের সংস্কৃতি।

দুর্গা পূজা, শ্রেষ্ঠ পূজা
জানাই উষ্ণ অভিনন্দন
সাথে থাক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা
আনন্দ মুখোর হোক দুনয়ন। 

সায়ন্তন রায় 

পড়াশুনার সাথে গৃহ শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত 
নেশা লেখা লেখি , এবং
বিশেষ পছন্দ  গান করা এবং বই পড়া।

নদী ।। অনুপ কুমার জানা

SA






নদী
অনুপ কুমার জানা

পার্বত্য অঞ্চল থেকে সৃষ্টি হয় নদী ,
বহে চলে মালভূমি , সমভুমির উপর দিয়ে ,
চলার পথে বিজরিত কতো সুখ , দুঃখ , বেদনা ,
অবশেষে মিলিত হয় সাগর , মহাসাগরে গিয়ে ।

কে বলে নদী নির্জীব , প্রাণ নেই তার ?
আমার চোখে সে শুধু প্রাণবন্ত নয় ,
প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে তার দেহ-মনে
যে প্রাণে রয়েছে অফুরন্ত শক্তির সঞ্চয় ।

মানুষের মতো নদীরও জীবন চতুরাশ্রম ,
তরুণ , যৌবন , পরিণত , বার্ধক্যে বিভাজিত ইহা ,
উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে প্রতিটি পর্যায়ে
উপহার দেয় প্রতিটি ধাপে বিভিন্ন ভুমিরুপ দিয়া ।

বিবিধ নামে পরিচিত এ'সকল নদী গুলো‌ ,
প্রধান নদী থেকে হয়েছে শাখানদী , উপনদী ক্রমে ,
পুরুষের নামেও ডাকি মোরা কভুও তাদের ,
কভুও পরিচিত আবার তারা মেয়েদের নামে ।

তরুণ ও যৌবনে উদ্যাম শক্তিতে বহে চলে তারা
অসম্ভব বলে কোন কিছুই নেই তাদের এখানে ,
নুড়ি , বালির সাথে বহে নিয়ে যায় পাথরকেও
গিরিখাত , ক্যানিয়ন , জলপ্রপাত সৃষ্টি করে সেখানে ।

সমতল ভূমিতে নদীর পরিণত ও বৃদ্ধাবস্থা ,
এখানে সমস্ত নদী কি অত্যন্ত ধীর ও স্থিতি ,
সামান্য বাধাতে পরিবর্তন করে গতিপথ ,
সমাজে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের যেমন হয় পরিণতি ।

অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ কখনো কখনো সৃষ্টি করে নদী ,
কোন কোন নদীর মৃত্যু ঘটে এখানে ;
অকাল মৃত্যু যেমন ঘটে যায় প্রতিটি প্রজাতিতে
ব্যাতিক্রমও ঘটে না তেমন নদীদের জীবনে ।

মানুষের সাথে নদীর কিছু পার্থক্য রয়েছে ,
ভুমিকম্পে হতে পারে নদীর বৃদ্ধাবস্থার পরিবর্তন ;
প্রকৃতির ভুমি তখন ‌হয়ে যায় ওলোট পালোট
নদী তখন ফিরে পেতে পারে তার নতুন যৌবন ।

নদীর প্রবাহের সাথে বহে মানুষের প্রবাহ ,
কতো গ্ৰাম , কতো শহর গড়ে নদীর দু'পাশে ,
বাণিজ্যের বাহক হয় এই কল্পতরু নদী
ক্লান্তিও দূর হয় মোদের নদী-সমীরের পরশে । 

অনুপ কুমার জানা
পশ্চিম মেদিনীপুরের ভূঞ্যাড়া গ্ৰামের  শীতল চন্দ্র জানা র পুত্র কবি অনুপ কুমার জানা পেশায় ফার্মাকেমিস্ট্ এবং ‌‌নেশা ছোট বেলা থেকেই কবিতা ও গল্প লেখার।
শিক্ষা : বি এস সি অনার্স (রসায়ন) ।

তুমি এসেছিলে ।। তপন ঘোষ

SA








তুমি এসেছিলে
তপন ঘোষ 

একদিন এই পৃথিবীর পরে
তুমি এসে ছিলে 
এসেছিলে হয়তো কারো তরে
পৃথিবীর কোলে ঈশান মেঘের কোনে
এক অপূর্ণ ঝড়ে, ভালোবাসায়
নক্ষত্রের মতো, আকাশে আকাশে 
বয়ে যাওয়া নদীর মতো
মিশে যেতে সাগরের টানে
রাতের বাতাসের মতো 
এক গহীন নিশ্বাসে 
বেসেছিলে ভালো,হৃদয়ের সবটুকু দিয়ে
হয়েছিলে মেঘ,বৃষ্টি, নদী, সাগরের মতো। 


তপন ঘোষ
রাষ্ট্র বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর 
পেশায় ব্যাঙ্ক কর্মী ।
নেশা কবিতা লেখা 
প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 
অন্তরীক্ষে  দহন
  মুক্ত রাশি রাশি
হে নিঃসঙ্গ তুমি বিহঙ্গ হও 
অনিত্য যে সুর নিত্য বাজে

সবাই গুনীজন ।। শাবানা বিবি

SA







সবাই  গুনীজন
শাবানা বিবি


বড্ড ভোলা বোকা ছেলে 
ভোলা নামই লোকে বলে।
সন্ধ্যা হলেই  লাইট জ্বেলে
বই পড়তে ঠ‍্যাং মেলে।
মাথায় মধ্যে কি সব কথা
ঘোরে ফেরে ভাবনা তথা।
বই পড়াটা ঢোকেনা মাথায়  
নিয়োম করেই গোল্লা খাতায়।
রোজ কিন্তু স্কুলে যায়  
রেগুলারেও গুড পায়।
তবুও হয় ধরতে কান
পিঠের মাঝেও টানটান।
ঢোকে না পড়া কিছুইতে মাথায় 
ভোলা মনে ভুলে;  যা -তায়।
ঠেলতে ঠেলতে ক্লাস এইট
রোজ লেখা পড়ার  সঙ্গে  ফাইট।
ওরে বাবা জিওগ্রাফি?
পাগল নাকি বিশ্ব ব‍্যাপী?
ভাবে ভোলা  কি দরকার 
মাটিকে ভাগ, কয় প্রকার?
ইতিহাসে ও মাথা ঘোরে
যেন,কে কার সঙ্গে যুদ্ধ করে?
যোগ বিয়োগ ভাগেও গুলিয়ে
বিয়োগ করে গুন মিলিয়ে।
বাংলা তে খুব পড়ে
এক কবিতা  বারে বারে।
কে বলে,গুন হীন ছেলে?
ক্রিকেট খেলায় চমক মেলে।
ফটাফট ব‍্যাটে পার
হরদম মারে ছক্কা চার।
সাতারেও দক্ষ ছেলে
ছয়শো মিটারে তার  স্বর্ন মেলে।
ছবির হাতও বেশ পাকা
যেন  লিওনার্দোদার সেরা আঁকা।
বলি সব গুনের সমাহার 
এ জগতে আছে কার?
সবাই  তোমরা  অনেক গুনী 
প্রকাশিত হোক  যেটা তুমি। 

শাবানা বিবি
পশ্চিম বঙ্গ. নদীয়া. দাসবেড়িয়া

শুনেছ কি? ।। সোমনাথ ঘোষ

SA










শুনেছ কি?
সোমনাথ ঘোষ


শুনেছ কি কোনও দিন
ফুল ফোটার শব্দ
বাতাসের ও আছে যে রং
কখনও সে মৃদু আবার কখনও
সে মাতাল আবার ভয়ঙ্কর। 

প্রেম ভালবাসারও নাকি দৈর্ঘ্য
প্রস্থ হয়
মনের মতো মানুষ পেলে নাকি


মেপেও দেখা যায়
সুখটা এমন হালকা ভীষণ 
আয়ুটাও তার বড্ড যে কম
দুঃখ কষ্টের দেখি ভার অতীব ভারি
তাই তো সবাই তারে বহিতে নারি। 

শান্তি টা তো মনে হয় মরীচিকা
কি জানি কোথায় তাহার বাস
তবুও তাহার খোঁজে আমরা সবাই
অনন্তকাল খুঁজে বেড়াই।


সোমনাথ ঘোষ
অবসর প্রাপ্ত ব্যাঙ্ক কর্মচারী। 
শিক্ষাগত যোগ্যতা। বি কম। 
নিবাস -চন্দননগর।

মা আসছেন ।। অনির্বান রায় চৌধুরী

SA









মা আসছেন 
অনির্বান রায় চৌধুরী 

শরৎ প্রভাত আজ আনন্দময়
মুঠোর ভেতর খুশি যে রঙিন 

ঘড়ির কাটায় হাসছে সময়
ফুড়াচ্ছে আজ দুঃসময়ের দিন 

একটা বছর, বারোটা মাস
যে যার মতো মাপে সময় রোজ 

কোথা থেকে  শিউলি সুবাস
সেই ভাবনায় মনে গভীর খোঁজ 

ভাবছি যদি ভাগ্যে থাকে
যদি পুজোয় তোমার দেখা মেলে 

গজপতি নিয়ে আসছে মাকে
আস্তে আস্তে সাবধানে পা ফেলে.......






কবি পরিচিতি 

অনির্বান রায় চৌধুরী সাম্প্রতিক কালের এক কবি যার কলমে প্রেম, অপ্রেম, অধ্যাতিকতা, বর্তমান কালে দেশের রাজনীতি এবং প্রতিবাদ দৃপ্ত ছন্দে বর্তমান। 

ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ স্নাতক এবং মার্কেটিং ম্যানেজমেন্ট এ স্নাতকোত্তর। বর্তমানে একটি বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত।

বৌ-কে বলছি কে.এম.আলম

SA







বৌ-কে বলছি 
কে.এম.আলম 

দেখতে দেখতে চলে গেলো তোমার সাথে পথ চলার বারোটা বছর
এতোদিনেও লাগতে দাওনি আমায় কষ্টের কোন আঁচড়,
কতো হাসি-কান্না আর ঝগড়া করেছি আমরা দুজন
তুমিই তো হয়েছো এদিনে আমার কতো যে আপন।
নিজ গুনেই আগলে রেখেছো তুমি এই ছোট্ট সংসার
তুমিই অপরাজিতা একমাত্র বিহঙ্গিনী আমার,
তোমার সাথেই কাটাতে চাই পরপারে যাবার পুর্ব পর্যন্ত
তোমার-ই সাথে যেন হয় হাসি মুখে আমার জীবনের অন্ত।
মুখ ফুটে কখনো বলিনি ভালোবাসি যে তোমায়
সে কারনে রাগ না হয়ে কখনো ভুল বুঝোনা যেন আমায়। 

কে.এম.আলম

ছেলের স্ত্রী জাফর মোল্লা

SA







ছেলের স্ত্রী 
  জাফর মোল্লা


তোমার ঘরে আনলে যারে
ছেলের জন্য স্ত্রী করে 
সে ছেড়েছে পিতার আলয়।
সেথায় ছিল জড়িয়ে মায়ায়।
এখন বধূ সে তোমার বাসায়।। 

জামাই বলে
ভাবো ছেলে
বৌমা কেন মেয়ে নয়?
তার উপর কেন অত্যাচার হয়?
একটু বলবে  গো  আমায়!! 

তোমার ঘরে খেটে মরে
সকাল থেকে রাতদুপুরে
কষ্ট হয়না তার বেলায়?
তোমাদের অন্ন সে যোগায়।
কেন তার রাখো অবহেলায়?? 

তোমার মেয়ে
অপরাধ করলে
কিছু না আসে যায়।
যতো দোষ বৌটার বেলায়।
সামান্য তে পান হতে চুন খসে যায়।। 

পরের মেয়ে
তোমার ঘরে
কেন তাকে ধোপা সাজতে হয়?
কেন চাকর বলো তায়?
এসব কেন নিজের মেয়ের জন্য নয়?? 

ছেলে মেয়ে সবার চেয়ে
বলো কেন জামাইটারে
আদর বেশি হয়?
বৌমা তো কৃতদাসী নয়?
তাকে রাখো মেয়ের মর্যাদায়!! 


জাফর মোল্লা
জয় নগর,দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

Friday, September 16, 2022

ঊনবিংশ সংখ্যা।। 16 September 2022 ।। সাহিত্যের অঙ্গনে

SA 



প্রকাশিত



ঊনবিংশ সংখ্যা 

সম্পূর্ন পড়তে শিরোনামে ক্লিক করুন







আগমনীর সুর ।। শাবানা বিবি

SA




 আগমনীর সুর
শাবানা বিবি


মন আবেশে ফুরফুরে সব
আগমনীর সুর শুনে,
আসছে দিন খুব কাছেতে
যাচ্ছে দিন গুনেগুনে। 

কাশের বনে দোলায় মাথা
হাওয়ার তালে তালে,
শিউলি আর পদ্ম মিলে 
মাতিয়ে রাখে জল স্থলে। 

শরৎ আকাশে  পেজা তুলো
পেখম মেলে চিত্র আঁকে,
পূজা পূজা  গন্ধ যেন 
আকাশ বাতাস  পথের বাঁকে। 

জমজমাটি পূজা  হবে
মিলন মেলার  সমরহে,
আসছে দিন, আসছে দিন  
এই  খুশি  টাই সঙ্গে বহে। 

মত্ত হয়ে পাওয়ার  আনন্দে
পেয়ে গেলেই শেষ,
না পেয়ে এখনো পাবো বলে
সেই  আনন্দ টাই বেশ। 

শাবানা বিবি
ভারত, পশ্চিম বঙ্গ, নদীয়া, দাসবেড়িয়া।


আমার বউটি আসবে বলে ।। জাফর মোল্লা

SA


আমার বউটি আসবে বলে
জাফর মোল্লা


বউটি আমার আসবে এবার
বাপের বাড়ি থেকে।
পারে না সে আর থাকতে
আমার দূরে রেখে।।

ওগো স্বামী এসো তুমি
ফোনে রোজ বলছে।
দামি হীরা যেমন সেরা
তেমন তুমি মোর কাছে।।

কোরো না দেরি তুমি তাড়াতাড়ি
বাপের বাড়ি এসো।
হৃদ মাঝারে রেখে মোরে
অধিক ভালোবেসো।।

তোমার ছেড়ে এতো দূরে
থাকি কতদিন।
প্রেম উপহার দিয়েছ যা আমার
কেমনে শুধব ঋণ।।

সুখ দুঃখের সাথী তুমি
হৃদয় নদীর ঢেউ।
তুমি ছাড়া নদীর ধারা
চেনে না তো কেউ।।

তার প্রেমে পড়লাম নেমে
জমাতে পাড়ি দূরে।
প্রেমের গান গায় এ মন
হাওয়ার সুরে সুরে।।

আর না করি একটু দেরি
চললাম পথ বেয়ে।
দিন করে পার বউটি আমার
পথ পানে চেয়ে চেয়ে।। 

জাফর মোল্লা
জয় নগর,দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

বয়সে প্রেম সন্দেহ বাতিক ।। প্রদীপ দে

SA





  বয়সে প্রেম সন্দেহ বাতিক
প্রদীপ দে 

মহামায়া লাফিয়ে উঠে মোবাইলের সবুজ ফোনের লাফানো ছবিটার উপড় মোটা বুড়ো আঙুল থেবড়ে বসিয়ে দিতেই অপরপ্রান্তের সুরেলা কণ্ঠ প্রশ্ন করে - মণিদা নেই …? 

ঘুম টুটে বিগড়ে যাওয়া মাথায় মহামায়া রেগে লাল,  -- কে বাছা তুমি হে ? 

--  বাছা নই বাছি, ওকে বলুন না- রানী শর্মা ফোন করেছে। 

--  সেটা আবার কোন রানী ? 

--  আপনি না আমায় চিনবেন না। মণি আমার সাথে আলাপ করেছে একদিন, অনেক কিছু খাইয়েছে আর এই ফোন নম্বর দিয়েছে। বলেছে মধ্যদুপুরে অথবা মধ্যরাতে যেন আমি কথা কই , ওইসময়েই নাকি ওনার সুবিধা বেশী। 

মহামায়ার মাথা গেল। রেগে লাল হয়ে রয়েছে। মনে হচ্ছে মুখপুড়িকে দিই ঠাটিয়ে একটা চড়। কিন্তু  না বোকামি করলে চলবে না। বুড়ো মিনসে এখন যে মেয়ে দেখলেই চুক চুক করছে। যা ভাবনা তাই মিলে যাচ্ছে। ব্যাটার ছেলে, হাভাগা, ঘরে বউ, সমর্থ বিবাহিত ছেলেমেয়ে, নাতিনাতনী রয়েছে, সে কিনা এখন রানীর পিছু নিয়েছে। ওইজন্য খালি এদিক ওদিক ঘুরতে বেড়োনো ?  দাঁড়াও মজা দেখাচ্ছি ! 

--  ওহঃ তা মামনি তুমি থাকো কোথায় ? কি করো ? 

--  ওমাঃ সে কি কথা বৌদি? আমি কি ছোট্ট ?  যে তুমি মামনি বলছো ?  আমি এক‌টি পাকা যুবতী নারী। কেন মণি বাবু আপনাকে কিছু বলেনি ? এই আমার কথা ? আমাকে যে কত মিষ্টি করে গল্প করে। আমার কত ভালো দাদা ! 

মহামায়ার মাথা চক্কর খায়। ওরে হারামজাদা মিনসে এতদূর এগিয়েছিস ? আর আমি কিছুই জানি না ? যাক আগেতো সব ব্যাপারখানা বুঝি ! 

--  মণির কি আজ দেখা করার কথা ছিল ? 

--  না ও তো মঞ্জুরির কাছে আমার নামে মনের কথা অনেক কিছু বলেছে আমাকে তো কিছুই বলেনা - তাই ফোন করলাম এই মধ্য দুপুরে।  আপনি কি ওনার বৌদি হন ? 

--   ওনার ? বৌদি ?  আমি ? 

--  হ্যাঁ  মানে ও বলেছিল ওর নাকি বড় দাদার বউ ওনার কাছেই থাকে। বড়দাদা নাকি রাগে দুঃখে গৃহ ত্যাগ করে হিমালয়ে চলে গেছে,  তাই ওই বয়স্কা বৌদিকে ওকেই দেখতে হয়। 

মহামায়া ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে মিথ্যাবাদী মিনসে ভোঁস ভোঁস করে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছেন, ইচ্ছা হয় ঝেঁটিয়ে বিষ ঝেড়ে দিই। 

মহামায়া এবার মোবাইলের লালগোলা টা আঙুল দিয়ে বন্ধ করে দেয়। মর ! গিয়ে পোড়ারমুখি ! আমার যা জানার সব জানা হয়ে গেছে। 

মোবাইল ছুঁড়ে ফেলে দেয় বিছানায়।  রাগে গিজগিজ করে ওঠে শরীর। মনে হয় মিনসেটারে তুলে ধোলাই দিই। বুড়ো বয়সেও অল্পবয়সী মেয়েগুলোর সাথে ফষ্টিনষ্টি !  দাঁড়া তোর ব্যবস্থা আমি করছি এবার। অনেক সহ্য করেছি এবার বাকী শুধু উত্তম মধ্যম ধোলাই ! 

গজগজ করতে করতে মহামায়া মণিলালের কান ধরে হিড়হিড় করে টানতে থাকে, ঘুমন্ত মণিলালের শরীর থরথর করে কেঁপে ওঠে ,ভয়ে প্রান যায় উড়ে। তাড়াতাড়ি উঠতে গিয়ে লুঙ্গি যায় খুলে। সে এক বিচ্ছিরি অবস্থা ! 

আর তার মধ্যেই মহামায়ার চিৎকার শোনা যায়, --  লুঙ্গি খুলে দাও - তোমার পিরিতের কচি মেয়েদের দেখাও,  রাণী, মঞ্জুরি তবেইতো তারা সকলে তাদের মণিদাকেই তাদের ভালোবাসা ঢেলে দেবে। 

ওরে আমার কপাল রে - বুড়োকালে মিনসে যে আমার কচি মেয়েদের সঙ্গে নোংরামি করছে গো ?-- বলেই রোদনরত মহামায়া বিছানায় শুয়ে পড়ে। 

মণিলাল থতমত খেয়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে বাথরুমে যায়,  চোখেমুখে  জল দেয়। বেড়োতেই আবার মোবাইল বেজে ওঠে। 

এবার মণিলালই নিজেই ধরে। মহামায়া ছুটে আসে। আবার ফোন করেছে রে ....... 

মণি স্পীকার অন করে দেয় সবাই শুনতে পাক -- তার ভয়ের কিছু নেই। 

--  হ্যালো ..... 

অপরপ্রান্তের গলা পুরুষের। ----মায়া নেই ? 

--  কে আপনি ? 

--  আমি মায়ার বন্ধু। ওকেই দিননা... 

থরথর করে কাপে মণি। ফোন দেয় মহামায়াকে। 

মহামায়া তো অবাক, -- কে আপনি ? 

--  বাব্বা আবার আপনি কেন ? চিনতে পারোনি ?
আমি রোহিত। তোমার পুরানো ইয়ে......
ওহঃ  বুঝেছি দাদা বোধহয় বাড়িতে  আছে ?  …
আমি ভুল সময়ে করে ফেলেছি -- তুমি কাল একবার বাজারে এসোনা অনেক কথা আছে। বিনয়ও তোমাকে একবার দেখতে চায়। কতদিন। দেখেনি ! যদি আসো খুব ভালো হয়! এসোনা লক্ষ্মী সোনা …… 

মণিলাল রেগে ফোন কেটে দেয়। স্পীকারে কথাগুলো ঘরে গমগম করে বেজে ওঠায় মহামায়া তো লজ্জায় থ ! 

মণিলাল সুযোগ পেয়ে,  -- ছিঃ ছিঃ  কি লজ্জার কথা ? কি লজ্জা ! নাতি নাতনী আছে আর বুড়ি হয়েও কচি ছেলেদের মাথা খাচ্ছো ?
আর বিয়ের আগের প্রেম এখনো চালিয়ে যাচ্ছো …… আবার আমায় বলছো ....থুঃ থুঃ …… কি ঘেন্না কি ঘেন্না ! 

মহামায়া চুপসে গেল, হঠাৎই এই ঘটনা ঘটে যাওয়ায় ! 

ইতিমধ্যে ঘরে এসে হাজির ওদের দুই নাতি নাতনী --  জোনাক আর রূপসা। 

দুজনায় কলেজে পড়ে।
জোনাক ওদের মেয়ের একমাত্র ছেলে মামারবাড়ি বেড়াতে এসেছে। 
আর রূপসা এই বাড়িতেই থাকে। বড় ছেলের কন্যে ! 

নাতি জোনাক দিদা মহামায়াকে জড়িয়ে ধরে --- এটা কি হচ্ছে দিদা ? 

আর নাতনী রূপসা দাদু মণিলালকে জড়িয়ে ধরে -- দাদু এই বয়সেও লুকিয়ে প্রেম ? 

দাদু দিদা লজ্জায় আর লজ্জায় ……… লাল ..... 

ততক্ষণে ঘরে বাড়ির বাকিরা এসে হাজির। হো হো করে হাসির রব ওঠে ! 

দাদু দিদা দুজনায় মুখোমুখি -বোকা হয়ে যাওয়ার কারণ বুঝতে তাদের অনেক সময় লাগে। চেয়ে দেখে সব্বাই হেসে লুটোপুটি খাচ্ছে। 
ঠান্ডা মাথায় ব্যাপারখানা তাদের মাথায় ঢোকে,  তবে সন্দেহের বীজ তাদের মনে থেকেই যায় 

অন্যদিকে হাসির তীব্রতা ততোটাই বাড়ে…! 

প্রদীপ কুমার দে
বিরাটী

বীর নন্দন দুখু মিয়া তাসলিমা লস্কর

SA




বীর নন্দন দুখু মিয়া
‌‌ তসলিমা লস্কর 



তুমি সাহিত্যাঙ্গনে এক বিস্ময়কর নাম
তুমি দুখু মিয়া দুঃখ কে করেছ জয়।
তুমি জ্ঞানী তুমি অমর তুমি মৃত্যুঞ্জয়। 

তুমি উন্মনা তুমি দুর্নিবার তুমি বিহ্বল;
তুমি সহিষ্ণু তুমি দামাল তুমি সমুজ্জ্বল। 

তুমি বর্তমান, তুমি আগামী ;
তুমি যুবসমাজের নেতা তুমি সংগ্রামী। 

তুমি কালজয়ী তুমি ঐশ্বরীক তুমি চিরন্তন;
তুমি উন্মাদনা তুমি হিতৈষী তুমি মনমোহন। 

তুমি দুঃখ দীনতাকে উপেক্ষা করে -
মনোবল দিয়েগড়েছো ভাগ্য ।
তুমি আদি তুমি মুখ্য। 

তুমি অবিচার অন্যায় জুলুম, কুশ্রীতার বিরুদ্ধে- 
তুমি ছিলে লড়াকু, তুমি ধন্য।
তুমি বিশ্বাস তুমি অনন্য। 

তুমি সৃষ্টির মাঝে জালাইয়া দিয়াছো ,
চির যৌবনের জয়ধ্বনি;
দিয়াছো সত্য ও সুন্দরকে, জয় করিবার ওমর বাণী। 

তুমি বিদ্রোহী তুমি বিপ্লবী তুমি প্রেমিক ;
তুমি গীতিকার তুমি সুরকার তুমি সৈনিক। 

তুমি হতাশার আলো তুমি মহিমান্বিত তুমি ধ্যাতব্য;
তুমি উদ্দীপনা জাগরণী তুমি সংযমশক্তি তুমি আদ্য। 

তুমি গেয়েছো সাম্যের গান তুমি মহান তুমি রণতূর্য;
তুমি উদ্দাম তুমি গতিশীল তুমি অর্ঘ্য। 

তুমি অভীক তুমি অভ্রভেদি তুমি যথার্থ;
তুমি বিশারদ তুমি দর্প তুমি মহার্ঘ। 

তুমি পেয়েছো সাহিত্যের সর্বোচ্চ পুরস্কার "জগত্তারিণী" পেয়েছ "পদ্মভূষণ", "একুশে পদক" আরো কত সম্মান।
তুমি যশ তুমি খ্যাতি তুমি যশস্বান। 

তুমি উজ্জ্বল তুমি তেজ তুমি সৌকর্য ;
তুমি আবির্ভাব তুমি প্রণেতা তুমি মাধুর্য। 

তুমি সুরের ঝংকারে বিশ্বকে করেছো প্লাবিতো; 
তুমি মানুষকে করেছো আত্মবিশ্বাসী অভিজাত। 

তুমি মমত্ব তুমি মরমিয়া সাধক তুমি উত্তীর্ণ;
তুমি সম্মোহন তুমি উদ্বোধন তুমি সমাকীর্ণ। 

তুমি বিশ্বস্তরীয় তুমি বহুমুখী তুমি হৃদয়বিদারক; 
তুমি উচ্ছ্বসিত তুমি প্রদীপ্তযুবক। 

তুমি বীর চির উন্নত শির লহ মোর অঞ্জলি;
হে মহান হে পূজ্য তোমাকে জানাই
বিনম্র প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলি।।
তসলিমা লস্কর।
-  কুলতলি
দক্ষিণ 24 পরগনা

Friday, September 9, 2022

অষ্টাদশ সংখ্যা ।। 9September 2022।।সাহিত্যের অঙ্গনে

SA




এই সংখ্যার সূচী.......






I can't live without you ।। Jafar Molla

SA



I can't live without you
Jafar Molla 

You are one of my favourite.
My mind will not be filled with love in this life.. 

It seems the love of one birth.
It takes as little time as it lakes to blink.. 

The see of love your filled with deep water.
In thirsty eyes there is only bitterness.. 

Deth in your absence,l live with you.
My heart without you is a birdless cage.. 

You on the lamp of the mind buring day and night.
Go to any seal, such abig debt will be repaid.. 

Always walk up in the middle of the beer.
It's hard to live without you.. 

Wearing a garland of love flowers around your neck.
I want to climb the sky and sit on your tap.. 

Without water chatake stays silent.
Without you may heart would be deserted..



Jafar Molla 

Jayanagar,24Parganas south
West Bengal 

Education qualification:- BSC Bio,(DIAM,RMP )

উল্টো দেশের উল্টো রাজা ।। তসলিমা লস্কর

SA



উল্টো দেশের উল্টো রাজা
তসলিমা লস্কর


এক যে ছিল উল্টো রাজা তামাক দিতো কানে; 
সামনের দিকে তাকিয়ে থেকে হাঁটতো পিছন পানে। 

কুকুর মশাই বসত গিয়ে বিড়াল বাবুর পাশে;
খাজুর গাছে তেঁতুল ঝোলে উল্টো রাজার দেশে। 

কাঁঠাল গাছে লাউ ধরেছে আর চালতা গাছে আম;
কলা গাছে মটরশুটি আর তেঁতুল গাছে জাম। 

নিত্য সেথায় ধান ভানে কলা গাছের ঢেঁকি;
বেগুন গাছে আমড়া ফলে কেউ দেখেছ কি? 

ছাগল খেলে রবার বল, রাজার ছেলের সঙ্গে;
পরিচালক শিয়াল পন্ডিত, হচ্ছে খেলা তুঙ্গে। 

গোলকিপার রাজহংসী, আর বাঁশি ব্যাঙের হাতে;
আনন্দ আর উচ্ছ্বাসেতে থাকতো তারা মেতে । 

স্নান করিয়ে ভাতের মারে, লবণ মাখায় তালে;
তার সঙ্গে খই মিশিয়ে দেয় রাজার গালে। 

কাঠের হাঁড়িতে রান্না করে বসে ঘরের চালে;
বস্ত্রগুলো ঝুলিয়ে রাখে বকুল গাছের ডালে। 

সেথায় গেলে সুন্দরীরা বসবে পাশে এসে; 
তাদের রঙ্গ দেখে উঠবে তুমি অট্টো হাসি হেঁসে। 

লাল ওড়না জুড়িয়ে দেবে তোমার ভালোবেসে;
চলো যাই ঘুরে আসি এই উল্টো রাজার দেশে। 


তসলিমা লস্কর।
-  কুলতলি
দক্ষিণ 24 পরগনা

নবতম প্রকাশিত সংখ্যা

অপূর্ণ স্বপ্ন

অপূর্ণ স্বপ্ন  বিপ্লব মাহাতো পূর্ণিমা রাতে চাঁদের এ কী মেলা, ও সুন্দরী, ভালো লাগে না আর লুকোচুরি খেলা। ভেবেছিলাম তোমাকে নিয়ে যাবো দূরদেশে, ...

আরও পড়ুন