মহিষাসুর
কীর্তিময় দাস ( আত্মমগ্ন)
আজকাল মহিষাসুর রাও খুব স্বাভাবিক ভাবে সমাজে মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ায়। তাদের মাথায় সিং থাকে না ঠিকই,, কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো মানবিকতা ও থাকে না ।। এরা সমাজে ঘুরে বেড়ায় ভালো মানুষ এর ছদ্মবেশে । এরাও ধর্ষণ এর বিরুদ্ধে "শাস্তি চাই, justice ⚖️ চাই বলে " কাঠ বোর্ড তুলে ভিড়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকে ,, আর মিছিল করে শুনশান, নীরবতা, এর মাঝে যদি কোনো একলা পথিক পায় তাহলে এদের বীভৎস,, বর্বর রুপ বাইরে বেরিয়ে আসে ,, এরাই জাস্টিস এর বোর্ড টা কে দূরে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে একলা মেয়েটার টুটি চেপে ধরে আর নিজেদের তেষ্টা, খিদা মিটায়। এরাই সেই অসুর যারা ভালো মানুষ এর মুখোশ পরে কলেজ এ যায়,, অফিস এ যায়,, এদের মধ্যে কেউ বা কোনো উচ্চ পদস্ত সরকারি কর্মচারী ও বটে ,, কিন্তু ঐযে বললাম এদের খিদা আর পিপাসা তখনই পায় যখন কোনো মেয়ে কে একলা দেখে ,,,।।
আর এদের তেষ্টা পেলে ভুলে যায় যে মেয়েটার কতো বয়স কিনা কিংবা যে মেয়ে টাও একজন মানুষ তার ও বাঁচার অধিকার আছে ।। তাঁরা তাদের খিদা মেটানোর পর টুটি চেপে ধরে রাখা হাত টা দিয়ে হয়তো বাড়ি গিয়ে নিজের মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দেয় আর নিজেই বলে সমাজ টা বাজে দিকে যাচ্ছে ।। ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ। ধিক্কার ওই সব সকোল্ড পাবলিক দের যারা অসুরদের কাছে পন নিয়ে তাদের সমাজে ছেড়ে রেখেছে ।।তাই দেবীর আগমনে এদের বধ করা বেশী জরুরি, যার ফলে ঘরের
দুর্গারা তাদের দশ হাতের মহিমায় গড়তে পারে সমাজ,, বানাতে পারে ইতিহাস, নাশ করতে পারে অন্ধকার ও এগিয়ে রাখে মানবিক ঐতিহ্য কে আমাদের এই মহান দেশে।।
No comments:
Post a Comment
আপনার মতামত প্রদান করুন....