দ্রৌপদীর প্রতি ভীম
বান্ধুলী
না শুনে বিদুর বাণী ,-
না শুনে পাঞ্চালি ক্রন্দন,
মহাসমারোহে চলিলেন ধর্মরাজ,
দ্যুতি ক্রীড়ায় করিতে অংশগ্রহণ।
ভীম সেন দ্রৌপদীরে বসান হস্তী পর।
মহাসমারোহে চলেন হস্তিনা নগর।
সভাগৃহ আসনাদি অপূর্ব সজ্জা,
একাধারে ভীষ্ম, দ্রোণ, কর্নাদি আর
ধৃতরাষ্ট্র - পুত্র ,জামাতা।
দ্রৌপদীর পঞ্চস্বামী আর শকুনি -
শুরু হলো পাশা খেলা ,দর্শক না গুনি।
ভুলে গেলেন ধর্মপুত্র শকুনির চাল,
ভুলে গেলেন জতুগৃহের কালো স্মৃতি কাল।
রাজ্য সহ একে একে সব কিছু গেলো -
অবশেষে যাজ্ঞসেনীর অধিকার হারাল।
পঞ্চ স্বামী নির্বিকার সভা গৃহ মাঝে,
দুর্যোধনের কটু বাক্যে দ্রৌপদী কাঁদে।
পিতামহ সহ সেথা ,আর ছিল যাঁরা,
মাথা নীচু করে থাকে ,
না কহে কোনো কথা ।
এই সব দৃশ্যে ভীম ধায় সভা মাঝে -
প্রতিজ্ঞা করে ,সবার সমুখে ।
রণক্ষেত্রে ,ঊরুভঙ্গে ,নেবেন প্রতিশোধ।
পাঞ্চালী র চেতনায় ,আসে যেন ভোর।।
পাঠকের মতামত
No comments:
Post a Comment
আপনার মতামত প্রদান করুন....