সেবিকা
হীরামন রায়
তুমি গরবিনী ,তুমি মহীয়সী, তুমি অতুলনীয়া।
তোমার হাতের কোমল পরশে, স্পন্দিত হয় হিয়া।।
কত প্রান প্রায় নিভু নিভু কালে তোমার সকাশে এলে।
নিমেসেই তোমা স্বযতন হাতে তাহে তৃপ্তির হাসি মেলে।।
তোমার সেবা কে না পায় বলো শহর নগর গ্ৰাম।
মুমুর্ষ আহতো রোগাচ্ছন্নদের সেবায়, নাও নিকো বিশ্রাম।।
তোমার হাতের শশ্রুষা পেয়েছে কত মহান কত গুনি।
কেউবা গরীব কেউবা দুস্ত
কত না অসহায় প্রানী।।
যুদ্ধক্ষেত্র ঝড় বন্যা
প্রকৃতি বিপর্যয়ের কালে।
তোমারই যোদ্ধা আহতোদের পাশে,
তোমাদেরই দেখা মেলে।।
মহামারী কালে নিরলস শ্রম নিরলস প্রেম ঢালো।
একহাতে টানিছে মৃত্যুদূত, তাহার
আর হাতে বাঁচিয়ে তোলো।।
তোমার হাতেই প্রথম লালিত প্রথম আদর আমার।
তুমিই তো আমার মাতৃ স্নেহ,
ছিলে প্রথম কান্না শোনার।।
তোমার হাতেই কতো প্রান বাঁচে একটু শশ্রুষা পেয়ে।
তুমিই আদরে সোহাগে ভরেছো সেবার ব্রত নিয়ে।।
দেখি হসপিটাল সেবাকেন্দ্রে তোমাদের মায়ার হাত।
কাঁটা ছেঁড়া ভাঙ্গা বিভৎস দৃশ্য দেখেছ দিবস রাত।।
দুর্গন্ধ পুঁজ গলদ রক্ত, মল মূত্র পঙ্কিল ঘেটেছো নিত্য।
পরিশ্রুত করে মুমুর্ষ প্রানের মুখে তুলে দিয়েছো পথ্য।।
আর সবে তোমায় যে তা ভাবুক কুৎসা ছড়াক গায়।
মানবিক মুখ তোমাদের তবুও সদাই কুর্নিশ জানায়।।
পাঠকের মতামত
No comments:
Post a Comment
আপনার মতামত প্রদান করুন....