Thursday, June 2, 2022

আম কে বেশ লাম্মে ||অধীর সিনহা

আম কে বেশ লাম্মে
   অধীর সিনহা 

            এমন পিকচার পোস্টকার্ড গ্রাম উমা আর তার বান্ধবী রেবেকা কখনো দেখেনি। ভোর ভোর র্নিমলকে নিয়ে দার্জিলিং মেল থেকে তারা নেমেছে আলিপুরদুয়ার স্টেশনে। প্রায় ৩ কি মি পাকা রাস্তা থেকে মেঠো রাস্তায় বেশ কিছুটা ভেতরে যেতে হল। প্রথমে পড়ল মাঝের ডাবরি টি এষ্টেটের কেয়ারি করা চা বাগান। চারিদিকে সবুঝ ঘাসের গালিচা, মাঝে মাঝে ইউক্যালিপটাসের সারি। উমার বলতে ইচ্ছে করছিল, পৃথিবীতে কোথাও যদি স্বর্গ থাকে তা এইখানে। টি এস্টেটের বাইরে পাহাড়ের কোলে ছোট্ট গ্রাম, মাঝেরডাবরি যেখানে এক গুচ্ছ মুন্ডা প্রজাতির বাস। গোণাগুন্তি কিছু নিকানো মাটির বাড়ি,খাপড়ার চাল আর চুনকাম করা দেওয়ালে আলপনা দেওয়া। এমনই একটি বাড়ির সামনে তাদের ভ্যান রিক্সা দাঁড় করাল নির্মল। 

                     ঘরের দাওয়ায় যিনি বয়স্ক বসেছিলেন তিনি নিশ্চই পরিবারের কর্তা, পাশে একজন বয়স্ক মহিলা।নির্মল এগিয়ে গিয়ে কিছু বলল, আলাপ করিয়ে দিল, আমার দাদু আর দিদা। উমা জানত নির্মল ছোট বেলায় তার আপুম(বাবা) এঙ্গা (মা)কে হারিয়েছে।  দাদুর গায়ের চামড়ায় ভাঁজ বেশ গভীর। তারা তাদের ভাষায় তাকে আর্শিবাদ করলেন, তারপর ঘর থেকে  হাতির শুড়ের মতন বেঁকান লোহার তৈরি চোঙ্গা এনে তাতে তিন বার ফু দিলেন।  

উমার আর তর সইছিল না। নির্মল ঘরের ভেতরে কি কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল। দুই বান্ধবী ঘরের পেছন দিকে যে ঘন সবুঝ পাহাড় দেখা যাচ্ছিল, সেই দিকে নাচতে নাচতে দৌড় দিল। এত সৌন্দর্য- চারদিক দেখে তারা শেষ করতে পারছিল না। মোবাইলে টিউন লাগিয়ে সে আর রেবেকা নাচতে আরম্ভ করল। 

                     তারা গ্রামের রঙিন শোভায় যখন ডুবে গেছে তখন তাদের ঘিরে একে একে গ্রাম বাসিদের ভীড় জমা হচ্ছিল। চোখে যখন পড়ল তখন দশ বারোজনের জনতা-- সাদা থান কাপড়ে কয়েকজন মহিলা আর সাদা ধুতি মালোকোঁচা মেরে পরা,খালি গা পুরুষের বেষ্টনী তাদের প্রায় ঘিরে ফেলেছে।  তাদের হাতে লাঠি আর ক্রুদ্ধ চাউনি দেখে নাচ থামিয়ে দুজনে ভয়ে কুঁকড়ে পেল।উমা আর রেবেকা, দুজনেরই পরনে ফাটা জিন্স আর টপ-খুবই বেমানান পরিবেশের সাথে। ভিড় কাটিয়ে রেবেকা উৎরাইয়ে বাসস্থানে যাওয়ার রাস্তা নিল। পেছনে জনতা প্রায় তাড়া করার মত-তাদের মৃদু গুঞ্জন বাড়তে বাড়তে কোলাহলে পরিণত হল। নির্মল বাড়ির বাইরে তাদের প্রতিক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল। তাদের জনতা নিয়ে আসতে দেখে সে দৌড়ে কাছে গেল। 

‘নির্মল এরা কেন আমাদের পিছনে আসছে? ভীষণ ভয় লাগছে।’ 
  রেবেকা,উমা র্নিমলের পেছনে আড়াল খুঁজল। 
 ‘বুঝেছি,ভয় নেই-আমি দেখছি,’ নির্মল তাদের আড়াল করে জনতাকে বেশ কিছুক্ষণ বোঝাল।  ধীরে ধীরে কোলাহল শান্ত হল।রেবেকা আর উমাকে নিয়ে নির্মল ভেতরে এল। আলনা থেকে দুটো কোড়া থান দিয়ে শিঘ্রি দুজনকে পড়তে বলল। জিন্সের ওপরেই কোন রকমে সাড়ি জড়িয়ে তারা আর দাদু,দিদা বাইরে এল। সাত রঙে রাঙ্গা গ্রামটি নিমেষে বদলে গেছে কালো সাদায়। তাদের শোক দশায়, রঙিন বেশে রেবেকাদের নাচ জনতার ক্ষোভের কারণ হয়েছিল।এবার তাদের শ্বেত পরিধান বিশ্বাস যোগ্য মনে করে,জনতা একে একে স্থান ত্যাগ করল। 

রেবেকা ভিষণ উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলো, আর এক মূহুর্ত সেখানে থাকতে সে রাজি নয়।
‘উমা চল আমরা এখুনি স্টেশনে চলে যাই-রাতের ফেরত ট্রেন পেয়ে যাবো। এরা জংলি জাতি-মেরে ফেলবে আমাদের।’ 

উমা কিন্তু বিপরীত ভাবে ভীষণ শান্ত ছিল-সে ফেরত যেতে রাজি নয়। অগত্যা রেবেকাকে ট্রেন ধরাতে নির্মল একটা ভ্যান রিকশা নিয়ে বিকালে বেরিয়ে গেল। 

পূর্ব কথন--                     

কারা এই নির্মল,উমা আর রেবেকা? নির্মল গল্পের নায়ক—কিন্তু সুর্দশন,ঢেউ খেলান কেশরাশির মালিক নয়- বাবরী চুল- মিশ কাল-পেশিবহুল চেহারা ,হাইট মোটামুটি। ভারতের এক আদিম জাতি অসুর সম্প্রদায়ের লোক। বলতে পারেন অনেকটা মহিষাসুরের মতন।নামেও তাই-- নির্মল অসুর। মাঝেরডাবরি থেকে কলকাতায় শিক্ষা আর রোজগারের সন্ধানে তার আসা। তবে নায়িকা উমা আর তার বান্ধবী রেবেকা, সুন্দরী,তন্বী , কলকাতার ধনী পরিবারের মেয়ে। 

                 উমার সাথে ঘনিষ্ঠতা যে ভাবে সুরু হয়েছিল বলতে পারেন বলিউড স্টাইলে-সল্প আলাপের পর নায়ক নায়িকার বৃষ্টিতে ভেজা(ভিক্টোরিয়া)।সেই পোশাকে কলেজ স্ট্রিট নায়কের মেসে যাওয়া আর তারপর? না কিছুদিন পর নায়িকার মুখে হিন্দি সিনেমার সেই বিখ্যাত ডায়ালগ শোনা যায়নি।কিন্তু সহ পাঠিদের হাসি, ঠাট্টা, পেরিয়ে আজও তারা তাদের বন্ধুত্ব বজায় রেখেছে।   

                কিন্তু এর পরের ঘটনা হল সৃষ্টিছাড়া।পুজোর ছুটিতে নির্মল যখন দেশের বাড়ীতে যাবে তখন উমা তার সঙ্গী হতে চাইল। এতে না উমার বাড়ির, বা স্বয়ং নির্মলের মত ছিল।  নির্মলের ভয় ছিল গ্রামের লোক রক্ষণশীলতা-তারা সভ্যতার ছোঁয়া পছন্দ করবেন না। কিন্তু উমা নাছোড়বান্দা,এক বান্ধবীকে গররাজী করিয়ে-বাড়ির মত আদায় করে সে চলল দূর্গাপুজো কাটাতে জলপাইগুড়ি জেলার মাঝেরডাবরি গ্রামে। মহালয়ার পরের দিন তারা রওনা দিল নির্মলের সঙ্গে। 

   (২)                               


                              উমার মনে হোল টাইম মেশিনে সওয়ার হয়ে সে এক আদিম জগতে প্রবেশ করেছে। দাদু উমার মাথায় হাত বুলিয়ে আজকের ঘটনার উৎস অসুর কাহিনী শোনাতে লাগল। 

                         এই অজানা মানব গোষ্ঠির অনেক অজানা, বিচিত্র রুপে তিনি শোনালেন। কয়েক হাজার বছর পুরানো লোক চক্ষুর আড়ালে থাকা এই অনার্য সভ্যতা, এবং হরপ্পা মহেনজোদাড়োতে সভ্যতার যোগ পাওয়া যায়। অসুররা বংশ পরম্পরা হিসাবে লোহা নিষ্কাশনে পটু। খুব উন্নত মানের ইস্পাত তৈরিতে তারা সক্ষম। কথিত আছে,দিল্লির বিখ্যাত লৌহ স্তম্ভ তাদেরই কারিগর নির্মাণ করেছে। তিনি বাড়ির দেওয়ালে ঝুলান কয়েকটি প্রাচীন ইস্পাতের শস্ত্র দেখালেন যা এখনো মরিচা বিহীন। 

                               উমার মনে হচ্ছিল তার এখানে আসা অনধিকার প্রবেশের সমতুল্য। নিজস্ব আচার, ধারনা বজায় রেখে টিম টিম করছে দারিদ্র পীড়িত কয়েকটি আদিবাসী ঘর। তাদের শান্তি আজ বিঘ্নিত হয়েছে। আরও জানতে পারল ভারতে ঝাড়খন্ড এবং সুদুর মহিশুরে এদের অস্তিত্ব দেখা যায়। কথিত আছে মহিশূর নামটি মহিষাসুর উদ্ভুত। এরা বিশ্বাস করে তাদের প্রিয় নায়ক মহিষাসুরকে ছলনায় ভুলিয়ে বধ করেছে এক নারী- দূর্গা। তাদের মতে বিদেশী আর্যদের লক্ষ ছিল শক্তিশালী অনার্যদের পরাজিত করে তাদের উর্বর রাজ্য দখল করার। সন্মুখ যুদ্ধে পরাজিত হয়ে তারা কূট কৌশলে সুন্দরী নারী দূর্গার ছলা কলায় মহিশাসুরকে মোহিত করে। এক দুর্বল মূহুর্তে তাকে শুলে বিদ্ধ করে নির্মম ভাবে দূর্গা তাকে হত্যা করে। তাই পঞ্চমী থেকে নবমী তারা শোক পালন করে- মহিলারা বৈধব্যের পোশাক পরেন। তখন ঘরে জ্বলে না আলো, উনুনে দুবেলা চড়ে না হাঁড়ি। 

      নির্মল উমাকে বলেছিল, তোমার এত সব পালনের দরকার নেই-দুবেলাই খাবে, সাদা কাপড় পরার দরকার নেই। কেবল ঘরের বাইরে না যেতে। উমা রাজি হয় নি-বিকেলের ঘটনার পর থেকে সে অন্য মানুষ। উমা ঠিক করল সে সব আচার বিধি মেনে চলবে। বাইরের জগৎ থেকে নিজেকে আলাদা রাখতে খুব একটা অসুবিধা হোল না। ইলেক্ট্রিসিটি না থাকাতে চার্য বিহীন মোবাইল অচল হয়ে গেল।    

            সারা দিন উমা ঘরের বাইরে একদম পা রাখেনি। রেবেকাকে নিয়ে নির্মল বিকালে স্টেশনে গেলে সে দাওয়ায় বসে ছিল। এক মটর সাইকেল এসে থামল বাড়ির সামনে। রংচঙ্গে সার্ট আর চেপা জিন্স পরা আরোহী ব্যাক ভিউ আয়নায় চুল ঠিক করে সিগারেট ধরাল। হিন্দি গানের কলি ভাঁজতে ভাঁজতে তার লক্ষ্য পড়ল দাওয়ায় বসে থাকা উমার ওপর। সাইকেল স্টান্ড করে কৌতূহলী দৃষ্টি মেলে সে এগিয়ে এসে জোহার(নমস্কার) করল, ‘হু ইউ? হিয়ার?’ 

উমা উঠে দাঁড়াল, কি বলবে ভেবে পাচ্ছিল না। 

‘ইউ ভাবী?’ উমা একটু হাসল। 

‘আজ সকালে গ্রামে শিঙার আওয়াজ শোনা গেছে। সেই খবর পেয়ে আমি খোঁজ নিতে এলাম। আরে ভাবী তুম ইতনা সুন্দর আছ, এখানে গাঁওয়ে কেন এলে।’ 

উমা আবার কি বলবে ভেবে পেল না। অপর দিকে যুবক তখন অর্নগল বকে চলেছে। উমা জানত র্নিমলেরা তিন ভাই, গ্রামে কেউ থাকে না।   

‘তোমাকে ওরা সফেত ঝোলা (সাড়ি) পড়তে দিয়েছে-শিট। তুমি শহরের লেডি-স্মার্ট-গুড দেখতে। এসব কুসংস্কার মানো তুমি? আমাকে দেখ-অসুর সমাজ থেকে বেরিয়ে গেছি। এখন আমার নাম চার্লস সেবাস্টিয়ান-চার্চের ফাদার নাম দিয়েছে। তারা বাইকে চড়তে দেয়,গিফট দেয়-মাসে মাসে টাকা দেয়। বদলেমে হপ্তায় একদিন চার্চে গিয়ে বসতে হয়। আমার মত তুমিও পাবে অনেক কিছু, সঙ্গে চলো…।‘ মুখের কথা শেষ হবার আগেই  তার মুখের কথা থেমে গেল। নির্মল তার সামনে দাঁড়িয়ে। 
চার্লসকে এক হাতে ধরে অন্য হাতে মটর সাইকেলের হ্যান্ডেল ধরে নির্মল তাকে নিয়ে চলল। 
‘শোন চার্লস গ্রামে আমাদের নিজের মত থাকতে দে।তুই খ্রিশ্চান হয়েছিস-ঠিক আছে।আমারা বাধা দিই নি। কিন্তু তুই গ্রামে এসে খ্রিশ্চান হবার লোভ দেখান বন্ধ কর।’ চার্লস চলে গেল। 
                               পরদিন উমার মন ভালো করতে অনেক বলে কয়ে নির্মল তাকে নিয়ে আলিপুরদুয়ার শহরে গেল। আলোঝলমল শহরে মাইক সহযোগে চলছে দেবী দূর্গার আরাধনা। সময়মত তারা  দুজনেই পূজায় অঞ্জলি দিতে পারল। কিছু কেনাকাটা করে বিকালে তারা গ্রামে ফেরত এল। 
                    চার্লস খবর নিতে এসেছিল—উমার মোবাইল কোথায়? রেবেকার কাছ থেকে খবর পেয়ে কলকাতায় উমার বাবা, মা খুব চিন্তিত। দাদু অবশ্য বলে দিয়েছে, উমা ভালোই আছে। ইলেক্ট্রিসিটি না থাকাতে মোবাইল খুলে কথা বলার উপায় নেই। টি এস্টেটে গিয়ে উমা বাড়ীতে কথা বলে এল। বাবা,মায়ের এক কথা-তুমি এখুনি চলে এস।                        

                    মাসখানেক পর নির্মল-উমা আর চার্লস কলকাতায় এল। চার্সের খুব ইচ্ছা ছিল কলকাতা দেখার। নির্মল উমার উদ্দেশ্য নিমত্রণ।বিবাহ বন্ধনে তারা আবদ্ধ হতে যাচ্ছে-অসুর মতে।এতদিন তারা সভ্য সমাজের লিভ ইন রিলেশনে ছিল-অসুর সমাজে এর নাম ইদি মি বিবাহ। এই ধরণের বিবাহে সন্তান ধারণ তাদের সমাজে স্বীকৃত। 
কলকাতায় তারা বন্ধুদের এবং কিছু আত্মীয় এবং উমার বাড়ীতে তারা গেল। তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে তারা ফেরত এল। অসুরের দেশে অসুর পাত্রের সাথে কেন বিয়ে-এই প্রশ্নের উত্তর চাই সবার। 
হপ্তা দুয়েক পর মাঝেরডাবরিতে অসুর প্রথামতে নির্মল-উমা বিবাহ অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেল। বিবাহ অনুষ্ঠান( আরান্ডি) তিন দিনের, 
 প্রথম দিন ঢাক, ঢোল বাজিয়ে বিবাহের মাচা প্রস্তুত করা হল। চার্লস নিজে তদারকি করে মাচা বানাল।  দ্বিতীয় দিন বাঁশের অলঙ্কারে ভূষিত উমাকে চার্লসের বৌ আর অন্যান্য মহিলারা তেল-হলুদ মাখায়। বর বধূর  কপালে সিঁদুর মাখায় শাল পাতা দিয়ে। বিবাহ অনুষ্ঠান ঠিক মত হয়ে গেল। 
তৃতীয় দিন চুমাবন-আনন্দের দিন।উপঢৌকন হিসাবে শূকর সহ হাজির হল চার্লস। সারাদিন চলল আয়োজন, রান্না। রাতে ঝলসান মাংস, হাড়িয়া আর মাদল নিয়ে শুরু হল উৎসব। 


তিন মাস পর                                                   

    চার্লস এসে খবর দিল উমার বাড়ি থেকে লোক এসেছে-তারা গেস্ট হাউসে আছেন। উমা-নির্মল দেখা করতে গেল। মা দিদি আর ভাই; উমার বর্তমান রুপ তাদের কাছে অবিশ্বাস্য লাগল। শাম্পু করা মসৃণ পশমের গুচ্ছ আজ তেল চকচকে বিনুনিতে আবদ্ধ। দুধে আলতা অঙ্গ অঙ্গারের সমতুলে পরির্বতিত। স্ফীত উদর-পরনে লাল পাড় সাদা সাড়ি। সবার কথা যত ছিল-কান্না ছিল তার অনেক বেশী। উমা বলতে বাধ্য হল,‘আরে তোমরা সবাই এতদিন পরে এলে, কেঁদেই ভাসাবে নাকি। আমি একদম ভালো আছি, ভালো খবর আছে। কিছুদিন পর ছোট অসুর আসবে। না আমি কলকাতায় যাবো না, এখানে বাড়িতেই দাই ডেলিভারি করবে। ভয় নেই-মরবো না। আমরা সহজে মরি না-কেবল দেবী দূর্গার হাতে ছাড়া। খবর দেব, এসে দেখে যেও।’ 

( গল্পের শীর্ষক মুন্ডারি ভাষায়-- আমি তোমায় ভালোবাসি)


অধীর সিনহা
Civil engr।
পেশায় NTPC র অবসর প্রাপ্ত কর্মী 
নেশা লেখালেখি, এবংএইসুত্রে
আনন্দবাজার ,দেশ, নবকল্লোল পত্রিকার সাথে যুক্ত । কেনা মায়ের মেয়ে, খোঁজ, surrogate's daughter, unbounded প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য রচনা।













No comments:

Post a Comment

আপনার মতামত প্রদান করুন....

নবতম প্রকাশিত সংখ্যা

অপূর্ণ স্বপ্ন

অপূর্ণ স্বপ্ন  বিপ্লব মাহাতো পূর্ণিমা রাতে চাঁদের এ কী মেলা, ও সুন্দরী, ভালো লাগে না আর লুকোচুরি খেলা। ভেবেছিলাম তোমাকে নিয়ে যাবো দূরদেশে, ...

আরও পড়ুন