বেঁচে থাকতে হয় বলেই বাঁচি
সঞ্জিত কুমার বর্মণ
বেঁচে থাকতে হয় বাঁচি -
কে বড় চাকরিজীবী আর কে বড় ব্যবসায়ী,
এসব আর বিবেচনা করি না।
শুধু বেঁচে থাকি।
বেঁচে থাকতে হয় তাই বাঁচি,
কে বিখ্যাত আর কে কুখ্যাত -
কে অর্থশালী আর কে অর্থহীন
এসব বিচার করার ধৈর্য নেই
শুধু বেঁচে থাকি।
বেঁচে থাকতে হয় বলেই বেঁচে থাকি -
শুধু বেঁচে থাকি।
কে মহাজ্ঞানী আর কে জ্ঞানী -
এসব আর বিবেচনা করি না।
এসব আর আমার কাছে মুখ্য নয়।
বেঁচে থাকাই আজ বিশেষ জরুরি
কর্ম করে বাঁচতে হয় বলে কর্ম করি -
এতে বাঁচি আর মরি- ভাবী না কে আমার বৈরী।
বেঁচে থাকতে হয় বলেই বাঁচি
বেঁচে থাকতে হয় বলেই স্বপ্ন দেখি না মিছামিছি।
শুধু সৎ পথে মানবতার বীজ রচি
মানবের তরে মানব শুধু ভজি
বেঁচে থাকতে হয় বলেই বাঁচি।
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
২৫ শে অক্টোবর ’ ১৯৮৫ সালে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলাধীন ফুলবাড়িয়ার নাবির বহর গ্রামে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করে। পিতা: ব্রজেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ, মাতা: সরজা বালা বর্মণ।
শিক্ষাজীবন থেকে সাহিত্যের প্রতি প্রচণ্ড অনুরাগ আর ভালবাসার সুবাদে লেখালেখি শুরু। পড়াশুনা ও করেছেন ইংরেজি সাহিত্যে। লিখতেন কবিতা, ছড়া ও ছোট গল্প সহ গ্রামীণ জীবনের পটভূমিকায় নানান সমস্যার কথা। নির্সগ প্রেমিক কবি সঞ্জিত কুমার বর্মণ মা মাটি মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন। ইতিমধ্যে কতিপয় দৈনিক পাতায় তার সমসাময়িক বিষয়ের উপর ভিত্তি করে কবিতা প্রকাশিত হয়ে পাঠক নন্দিত হয়েছে।
পেশাগত জীবনে সঞ্জিত কুমার বর্মণ উত্তর লস্কর চালা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ইংরেজি ’র প্রভাষক হিসেবে নিয়োজিত আছেন।


No comments:
Post a Comment
আপনার মতামত প্রদান করুন....